মেঘ

মেঘ
মেঘ, সুনিদ্রা ও নন্দলালের পঙ্গপাল

বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৪

‘পৃথিবীর সেরা’ ১০টি স্থান

ভ্রমনপ্রিয়দের কাছে তো বটেই যারা ঘর ছেড়ে সচরাচর বেরুতে চান না তারাও একবার গেলে আর ফিরতে নাও
চাইতে পারেন- সম্প্রতি পৃথিবীর ৫০টি এমন স্থানের একটি তালিকা তৈরি করেছে লনলি প্ল্যানেট। এ তালিকা আবার কেটে-ছেটে ছোট করে এনেছে ডেইলি মেইল অনলাইন। তারা করেছে ১০টি এমন স্থানের তালিকা মৃত্যুর আগে
যেগুলো একবার অবশ্যই দেখে আসা উচিৎ।

এ তালিকায় একদিকে যেমন স্থান পেয়েছে মানুষের তৈরি সেরা স্থাপনাগুলো তেমনি জায়গা পেয়েছে প্রকৃতির
মনোমুগ্ধকর সব দর্শনীয় স্থানগুলোও।

ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত, জিম্বাবুয়ে/ জাম্বিয়া: তালিকায় প্রথমেই জায়গা করে নিয়েছে ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত। জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়ার সীমান্তে এর অবস্থান। জাম্বেসি নদী থেকে উৎপত্তি লাভ করা এই জলপ্রপাতটি আবিষ্কার করেন স্কটিশ পর্যটক ডেভিড লিভিংস্টোন। ইংল্যান্ডের রাণী ভিক্টোরিয়ার সম্মানার্থে তিনিই জলপ্রপাতটির নাম রেখেছিলেন ভিক্টোরিয়া ফল্‌স। অবশ্য স্থানীয়দের কাছে এটি মসি-ওয়া-তুনয়া নামে পরিচিত। এর অর্থ 'বজ্র সৃষ্টিকারী মেঘ'। জলপ্রপাতটির উচ্চতা ১০৮ মিটার। ২০ কিলোমিটার দূর থেকেও এ জলপ্রপাতের অস্তিত্ব অনায়াসে বুঝতে পারা যায়।


গ্রেট রিফ্‌ট ভ্যালি, ইথিওপিয়া: এ উপত্যকার বিস্তার দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া থেকে পূর্ব আফ্রিকা পর্যন্ত। আয়তন ৬ হাজার কিলোমিটার।


জায়ান্ট’স কজওয়ে, উত্তর আয়ারল্যান্ড: স্থানীয়ভাবে প্রচলিত আছে পানির উপর এটি তৈরি করেছিল খ্যাপা এক দৈত্য। তবে এটা নিশ্চিত যে, প্রকৃত কাহিনীটা আরো অনেক বেশি অসাধারণ।


তাজ মহল, ভারত: বলা হয়ে থাকে তাজ মহল হলো মানুষের তৈরি সবচেয়ে সৌন্দর্যমণ্ডিত দালান। এর
নির্মাণশৈলীতে পারস্য, তুরস্ক, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে। মোগল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগমের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সৌধটি নির্মাণ করেন।


টেরাকোটা আর্মি, চীন: আট হাজারের বেশি সৈন্য, ১৩০টি যুদ্ধরথ এবং ৬৭০টি ঘোড়ার বিশাল এক বাহিনী।
এগুলো দেখেই জীবন্ত বলেই মনে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।


চীনের প্রাচীর: গ্রেট ওয়াল অব চাইনা বা চীনের প্রাচীরের সঙ্গে কাউকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। বাড়ির পাশের প্রাচীরটির থেকেও মানুষ চীনের প্রাচীরের কথা বেশি শুনেছে। যাদের এখনো দেখার সৌভাগ্য হয়ে
ওঠেনি অন্তত একবার চীনের প্রাচীর দেখে আসা উচিৎ।


নগোরঙ্গোরো জ্বালামুখ, তানজানিয়া: ৬১০ মিটার গভীর এবং ২৬০ বর্গকিলোমিটারের এ জ্বালামুখটিকে বলা
হয় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ অপ্লাবিত ক্যালডেরা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার এই লীলাভূমি বিপন্ন বহু প্রানীর জন্যই সাক্ষাত স্বর্গ।


কিলাউয়ি, হাওয়াই: পৃথিবীর সবচেয়ে সক্রিয় এই আগ্নেয়গিরিটি গত তিন দশক ধরে ক্রমাগত অগ্ন্যুৎপাত করে চলেছে। যা সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ভূমিও তৈরি করছে।


হাজিয়া সোফিয়া, তুরস্ক: গির্জা। মসজিদ। জাদুঘর। সবই এটি। ইস্তানবুলের অতীত সম্পর্কে কিছুটা ধারনা পেতে এটির দিকে একবার তাকাতেই হয়।


পোতালা প্যালেস, তিব্বত: অসাধারণ স্থাপত্যশৈলী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৭শ মিটার উচ্চতায় নির্মিত দালাই লামার ১৩ তলার ভবনটিতে রয়েছে ১শ-এর বেশি ঘর।


আরও পড়ুন 

সূত্র: ডেইলি মেইল 




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন